রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রকাশ্যে ইসলাম বিদ্বেষের প্রতিবাদলিপি
২৫/৮/২০২৫
সম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দুটি ঘটনা ছড়িয়ে পড়েছে। যা দেশের আদর্শিক নাগরিক, ধর্মপ্রাণ জনতা ও উলামার মাঝে প্রতিবাদের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।
১. গত ২৪ আগস্ট বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত ভিকারুননিসা নূন স্কুলের প্রভাতী শাখার ষষ্ঠ শ্রেণির ২২ জন শিক্ষার্থী হিজাব পরে ক্লাসে প্রবেশ করায় বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষিকা ফজিলাতুন নাহার তাদেরকে ক্লাস থেকে বের করে দেয় এবং “জঙ্গির মতো দেখায়” বলেও মন্তব্য করেন। যা মুসলিম প্রধান রাষ্ট্রের নাগরিকদের ধর্মীয় স্বাধীনতা পরিপন্থী এবং ধর্মীয় বিধান পালনের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন ও অবমাননার শামিল।
২। গত ২১ আগস্ট’২৫ হবিগঞ্জ জেলায় কর্মরত দুলাল মিয়া, হৃদয় আহমেদ ও ইফতেখার হোসেন সুমন নামে কনস্টেবল পদবীধারী বাংলাদেশ পুলিশের তিনজন সদস্যকে কর্তৃপক্ষের অনুমতি ব্যতিত ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক দাড়ি রাখার অভিযোগে শাস্তি হিসেবে লঘুদণ্ড “পিডি” প্রদান করা হয়। যা রাষ্ট্রের একজন মুসলিম নাগরিকের মৌলিক অধিকারহরণ বলেই প্রতীয়মান হয়।
ঘটনাদ্বয় মুসলিম প্রধান এই রাষ্ট্রে কাঠামোগত ইসলাম বিদ্বেষের সুস্পষ্ট প্রমাণ। গত ফ্যাসিস্ট সরকার ও তার দোসররা যেসব পদ্ধতি দ্বারা ইসলাম ও মুসলিম সমাজে ইসলাম বিদ্বেষ ছড়াতো, সে পদ্ধতি আবারো পূণরাবৃত্ত হচ্ছে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে।
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসমাজ উক্ত ঘটনা দ্বয়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে এবং অনতিবিলম্বে অভিযুক্তদের বহিষ্কার সহ উপযুক্ত শাস্তি প্রদান করার দাবী জানাচ্ছে। সেই সাথে ধর্মীয় অধিকারে হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় নীতিমালা প্রণয়ন করা ও জনসচেতনতা গড়ে তোলার আহবান করছে। অন্যথায় অপ্রত্যাশিত যে কোন ধরণের প্রতিক্রিয়ার দায় সরকার ও কর্তৃপক্ষকে বহন করতে হবে।
বার্তাপ্রেরক
অলি উল্লাহ আরজু
সংগঠন সচিব
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসমাজ
রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রকাশ্যে ইসলাম বিদ্বেষের প্রতিবাদলিপি


